গণপরিবহণে ভোগান্তি কমাবে জবি শিক্ষার্থীদের তৈরি ”গো বাংলাদেশ” অ্যাপ

প্রকাশিত: ২:১২ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৭, ২০২২

দেশের পরিবহন খাতকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে ‘গো বাংলাদেশ’ নামে একটি অ্যাপের উদ্বোধন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি যেটি বর্তমান সিস্টেমের বিকল্প, নির্ভুল, নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী।

কিউআর কোড, ডিজিটাল ওয়ালেট, মোবাইল ব্যাংকিং এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে মোবাইল এপ্লিকেশন ভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থা প্রকল্পের উদ্ভাবন করেছেন। এতে যাত্রীরা কিউআর কোড স্ক্যান করেই দিতে পারবেন ভাড়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অ্যাপটির সঠিক ব্যবহার করা গেলে গণপরিবহণের নিত্যদিনের সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী। আসবে গণপরিবহণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলাও।

ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত পদ্ধতিটি বাস্তবায়নের জন্য উদ্ভাবন ডিজাইন ও উদ্যোক্তা একাডেমি ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্ট্রেপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিইএ) থেকে ১০ লাখ টাকার ফান্ড পেয়েছে প্রকল্পটি। ‘গো বাংলাদেশ’ নামের অ্যাপ্লিকেশনের সদস্যরা হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান সৌরভ, ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম এবং ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসাইন ও নিশাত মাহমুদ। এ অ্যাপ উদ্ভাবনে শিক্ষার্থী টিমকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ, সাবেক শিক্ষক এবং ন্যাশনাল কনসালটেন্ট জাহিদুর রহমান।

এ বিষয়ে তারা বলেন, অনিবন্ধিত বাস ও ড্রাইভার এ সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবে না। বাসের প্রতিটি সিটের পেছনে একটি করে কিউআর কোড লাগানো থাকবে। যাত্রী যে সিটে বসে আছে, তার সামনের সিটের পেছনে সে সিটের কোডটি থাকবে। যাত্রীরা তার সামনের কোডটি স্ক্যান করার মাধ্যমে শুধু গন্তব্য সিলেক্ট করে ভাড়া দিয়ে দিতে পারবেন। ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা কেটে নিবে। তাছাড়া ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য অগ্রিম টিকিটও বুক করে রাখা যাবে। জার্নির বিপরীতে কোনো মন্তব্য বা অভিযোগ থাকলে যাত্রীরা তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দিতে পারবেন ও সেবার মান নির্ধারণ করতে পারবেন। আর এসব কার্যক্রম সরাসরি পরিবহন মালিক দেখতে পারবেন।

এছাড়াও কোনো যাত্রী ডিজিটালি ভাড়া দিতে না পারলে ক্যাশ টাকার মাধ্যমেও ভাড়া নিতে পারবেন। ডিজিটালি দেওয়া ভাড়া সরাসরি মালিকের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে যোগ হবে। এছাড়া টাকার মাধ্যমে নেওয়া ভাড়া ড্রাইভার মালিককে দেবেন। বাসমালিক বাসের অবস্থান, ড্রাইভারের বিস্তারিত, যাত্রীর তথ্য এবং যাত্রীর অভিযোগগুলোও দেখতে পারবেন।

জানা যায়, উদ্ভাবিত প্রজেক্টটি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুজিব ১০০ আইডিয়া’ প্রতিযোগিতায় ৩০তম স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া সিটি ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ‘সিএসই ফেস্টিভ্যাল ২০২১’ এ আইডিয়া ইনোভেশন অ্যান্ড ইনভেনশন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধারণা, তাদের এ প্রকল্পটি বাংলাদেশের পরিবহন খাতকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল এ কাজের জন্য অভিবাদন জানাই। শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গে আমরা সব সময় আছি। তরুণদের এমন উদ্ভাবনী কাজের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় আছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি যেটি বর্তমান সিস্টেমের বিকল্প, নির্ভুল, নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী।

কিউআর কোড, ডিজিটাল ওয়ালেট, মোবাইল ব্যাংকিং এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে মোবাইল এপ্লিকেশন ভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থা প্রকল্পের উদ্ভাবন করেছেন। এতে যাত্রীরা কিউআর কোড স্ক্যান করেই দিতে পারবেন ভাড়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অ্যাপটির সঠিক ব্যবহার করা গেলে গণপরিবহণের নিত্যদিনের সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী। আসবে গণপরিবহণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলাও।

ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত পদ্ধতিটি বাস্তবায়নের জন্য উদ্ভাবন ডিজাইন ও উদ্যোক্তা একাডেমি ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্ট্রেপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিইএ) থেকে ১০ লাখ টাকার ফান্ড পেয়েছে প্রকল্পটি। ‘গো বাংলাদেশ’ নামের অ্যাপ্লিকেশনের সদস্যরা হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান সৌরভ, ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম এবং ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসাইন ও নিশাত মাহমুদ। এ অ্যাপ উদ্ভাবনে শিক্ষার্থী টিমকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ, সাবেক শিক্ষক এবং ন্যাশনাল কনসালটেন্ট জাহিদুর রহমান।

এ বিষয়ে তারা বলেন, অনিবন্ধিত বাস ও ড্রাইভার এ সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবে না। বাসের প্রতিটি সিটের পেছনে একটি করে কিউআর কোড লাগানো থাকবে। যাত্রী যে সিটে বসে আছে, তার সামনের সিটের পেছনে সে সিটের কোডটি থাকবে। যাত্রীরা তার সামনের কোডটি স্ক্যান করার মাধ্যমে শুধু গন্তব্য সিলেক্ট করে ভাড়া দিয়ে দিতে পারবেন। ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা কেটে নিবে। তাছাড়া ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য অগ্রিম টিকিটও বুক করে রাখা যাবে। জার্নির বিপরীতে কোনো মন্তব্য বা অভিযোগ থাকলে যাত্রীরা তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দিতে পারবেন ও সেবার মান নির্ধারণ করতে পারবেন। আর এসব কার্যক্রম সরাসরি পরিবহন মালিক দেখতে পারবেন।

এছাড়াও কোনো যাত্রী ডিজিটালি ভাড়া দিতে না পারলে ক্যাশ টাকার মাধ্যমেও ভাড়া নিতে পারবেন। ডিজিটালি দেওয়া ভাড়া সরাসরি মালিকের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে যোগ হবে। এছাড়া টাকার মাধ্যমে নেওয়া ভাড়া ড্রাইভার মালিককে দেবেন। বাসমালিক বাসের অবস্থান, ড্রাইভারের বিস্তারিত, যাত্রীর তথ্য এবং যাত্রীর অভিযোগগুলোও দেখতে পারবেন।

জানা যায়, উদ্ভাবিত প্রজেক্টটি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুজিব ১০০ আইডিয়া’ প্রতিযোগিতায় ৩০তম স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া সিটি ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ‘সিএসই ফেস্টিভ্যাল ২০২১’ এ আইডিয়া ইনোভেশন অ্যান্ড ইনভেনশন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধারণা, তাদের এ প্রকল্পটি বাংলাদেশের পরিবহন খাতকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল এ কাজের জন্য অভিবাদন জানাই। শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গে আমরা সব সময় আছি। তরুণদের এমন উদ্ভাবনী কাজের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় আছে। সূত্র: আজকের সংবাদ